My Girlfriend is an Alien Drama review,
মাই এলিয়েন গার্লফ্রেন্ড একটি চাইনিজ ড্রামা। একটি খুবি জনপ্রিয় একটা ড্রামা। এই ড্রামাটি বিভিন্ন ভাষায় ডাবিং করা হয়। বাংলা ভাষার ডাবিং এ এই ড্রামাটি আমরা রিভিউ দিব। এই গল্পের নায়ক মিস্টার ফাহিম গাড়ী নিয়ে বের হয়। মাঝ রাস্তায় গিয়ে দেখে আকাশের অবস্থা খুব খারাপ। তখন একজন ফোন দিয়ে বলে ফাহিম স্যার বৃষ্টি আসতে পারে, ফাহিম গাড়ী চালাচ্ছে হঠাৎ করে গাড়ী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটা পাহাড়ের নিচে পড়ে যাই। ফাহিম কোন মতে নিজেকে গাড়ী থেকে বের করে জ্ঞান হারায়। তখন একজন এলিয়েন ফাহিমকে দেখতে পাই আর তার কাছে এসে দেখে ফাহিম পৃথিবীর একজন মানুষ। এরপর এলিয়েন দেখতে পাই ফাহিমের গাড়ীটা ব্রাস্ট হচ্ছে তখন এলিয়েন ফাহিমকে বাচানোর জন্য মাঝখানে দাঁড়িয়ে পড়ে জাদু শক্তি দিয়ে ফাহিমকে রক্ষা করে। কিন্তু এতে এলিয়েন এর গলার লকেট টা ফাহিমের হাতে ফিটকে পরে আর এলিয়েন পানিতে পরে যাই। এর পর ফাহিম বাড়ি ফিরলে ডক্টর তাকে জিগ্যেস করে আপনার শরীরে তো কোন অসুখ নির্ণয় করা যাচ্ছে না। বুকে কিছু হয়নি। ডক্টর বলে আপনার কি কিছু মনে আছে কি হয়েছিল আপনার সাথে।তখন ফাহিম বলে আমার জ্ঞান হারানো ছাড়া আর কিছু মনে হয়। ডক্টরকে ফাহিম বল্ল আপনি চলে যান সমস্যা হলে আমি ডাকবো আপনাকে।
এরপর এলিয়েন একটা নদীতে এসে যাই। সেখানে দেখে একটা মানুষ নদীতে মাছ ধরছে। এলিয়েন তার মাথা ঘুমাচ্ছে আর বলছে আচ্ছা আমি পৃথিবীতে আটকে পরেছি মধ্যাকর্ষণ শক্তির জন্য আমি আমার গ্রহে যেতে পারছিনা। এসব কথা শুনে ঐ ব্যক্তি মাছ না ধরেই পালিয়ে যাই। তখন এলিয়েন হেসে বলে আচ্ছা পৃথিবীর মানুষ এতো বোকা কেন? অল্পতেই ভয় পেয়ে যাই। এর পর মাথা থেকে একটা কচ্ছপ পড়ে তার কুলে এলিয়েন হাতে নিয়ে বলে তুমি কে, এটা বলে ফেলে দিতে থাকে তখন কচ্ছপটা বলে আমি তোমার সহকারী আমাকে ফেল না। এলিয়েন বলে তোমার এই রুপ হলো কেমনে? এলিয়েন এর সহকারী বলে আমাকে কচ্ছপ গিলে ফেলতে চেয়েছিল তাই এখন তার রুপ নিয়ে থাকতে হচ্ছে। এরপর এলিয়েন বল্ল আমার গলার মুক্তাটার সাহায্যে আমি আমার গ্রহের লোকদের সাথে যোগাযোগ করবো।কিন্তু এলিয়েনের গলাই তো কোন মুক্তা নেই, সেটা ফাহিমের হাতে পড়ছিল। তখন তার সহযোগী বলে তুমি মানুষটার চেহারা মনে কর তখন এলিয়েন মেয়েটা মনে মনে বলে তার ফেস মনে না থাকলেও ফিগারটা ঠিকি মনে আছে। এরপর এলিয়েন মেয়েটা ফাহিমকে আকার চেষ্টা করে কিন্তু এমন ছবি আঁকে যেটা দেখে এলিয়েন এর সহকারী বলে এটা দিয়ে কিভাবে তুমি চিনবে। তারপর এলিয়েন মেয়েটা মার্কেট এ চলে যায় নতুন নতুন ড্রেস পড়তে থাকে। এরপর মার্কেটে চোর ঢুকেছে বলে চিৎকার করে সিকিউরিটি গার্ড। তখন এলিয়েন গার্লফ্রেন্ড বলে এরা চোর কাকে ডাকছে,তখন সহযোগী বলে এখানে নিম্ন শ্রেনীর নিয়ম চলে,বিনময়ের মাধ্যমে সব কিছু হয়।তাই তুমি তাড়াতাড়ি এখান থেকে তোমার শক্তি প্রয়েগ করে পালাও। তখন এলিয়েন মেয়েটা বিয়ের একটা ড্রেস পড়ে পালাতে থাকে।
এদিকে ফাহিম রেডি হয়ে সোটকোর্ট পড়ে অফিসে যাবেন তখনি এক কর্মচারী এসে বল্ল ফাহিম স্যার আজ অফিসে যাবেনা আপনি। ফাহিম জিগ্যেস করে কি হয়েছে? তখন কর্মচারী বলে স্যার আপনার এক্স গার্লফ্রেন্ডরা সবাই অফিসের সামনে প্রেস মিডিয়া ডেকেছে তারা সবাই আপনাকে বিয়ে করতে চাই। তখন ফাহিম বলে তুমি আরো সিকিউরিটির ব্যবস্থা করো আমি এখনি যাব অফিসে। অফিসে গিয়ে দেখে মিডিয়ার লোকজন তার কাছ থেকে জানতে চাচ্ছে যে এতো জন কে কিভাবে বিয়ে করবে? তখন ফাহিম বলে দেখুন ভালোবাসা দুটি মানুষের মধ্যেকার ব্যাপার। এভাবে পাবলিকভাবে বলার মতো না। এটা বলেই প্রত্যেকটা এক্সকে গার্লফ্রেন্ড কে অফিসের ভিতরে ডাকলো। এক জন করে ফাহিমের সাথে দেখা করল আর ফাহিম তাদের ভ্রমনের লোভ দেখাল। প্রত্যেককে একটা করে ফাইল দিয়ে দিল। এভাবে ফাহিম তার এক্স গার্লফ্রেন্ডদেরকে ম্যানেজ করে নিলো। অফিসের বাইরে যেতেই মিডিয়ার লোকজন এক্স গার্লফ্রেন্ডদের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছে কি বল্ল ফাহিম তাদেরকে। তখন ফাহিমের এক্স গার্লফ্রেন্ডগুলো মিডিয়ার কাছে সুনাম করে চলে গেলো।
এরপর এলিয়েন মেয়েটা তার জাদু শক্তি দিয়ে সমস্ত গাড়ি গুলোকে আটকে দেয় আশেপাশে থাকা মানুষ গুলোকেও থমকে দেয়। তারপর সে সেখান থেকে পালিয়ে যাই। তখন মার্কেট এর সিকিউরিটি গার্ডরা আর এলিয়েন মেয়েটাকে ধরতে পারেনা। এরপর ফাহিম যাই আর একজন ডক্টর এর কাছে, ডক্টর বলে তোমারা জন্মের সময় তুমি তোমার মা কে হাড়াও এর জন্য তোমার মনে এটার প্রভাব পড়েছে। তুমি বৃষ্টি দেখলে তোমার গার্লফ্রেন্ড কে ভূলে যাও। তুমি হেলুছিলেশন করো, তোমার মস্তিষ্কের মধ্যে তোমার মাকে হাড়ানোর কষ্টটা গেঁথে গেছে, ফাহিমকে এই চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ফাহিম বৃষ্টি হবে কথা শুনেই ভয় পাই। ফাহিম তোমার তাড়াতাড়ি সুস্থ হওয়া জুরুরি। সে পর্যন্ত কেউ যেন এটা না জানে। তখন ফাহিম তার বন্ধু ডক্টর কে বলে তুমি জান এটাই অনেক। ফাহিম বলে আমাকে প্রেসকিপশন দাও আর আজগুবি গল্প করা বন্ধ কর। এদিকে এলিয়েন গার্লফ্রেন্ড চলে এলো একটা পার্টিতে সেখানে সে অনেক খাবার খেল কিন্তু বিল পরিশোধ করতে পারলো না। বিল পরিশোধ করতে না পারায় রেস্তোরাঁর মালিক তাকে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতে দিল আর সেই কাজ করতে গিয়ে একটা বিপত্তি ঘটালো। সেটা আমরা পরবর্তী পর্বে জানবো,সে পর্যন্ত সবাই অপেক্ষা করো সুন্দর ও সুস্থ থাকো।