ফাহিমকে নিজের হাতে খাবার খাইয়ে দিল এলিয়েন জেসিকা

My Girlfriend is an Alien drama review second part 




ফাহিম আবারো চলে এলো তার বন্ধু ডক্টর এর কাছে। কারণ ফাহিম হেলুছিনেট করেছে।তার বন্ধু বলছে তুমি এতো তাড়াতাড়ি হেলুসিনেট করবে ভাবতে পারিনি। হেলুসিলেশনের সময় ফাহিম শুধু এলিয়েন মেয়ে জেসিকাকে দেখায়। আমার কেন জানি মনে হয় ঐ মেয়ের সাথে আমার আগেও দেখা হয়েছে। তখন ডক্টর বলে দেখ তাহলে জিসা মেয়েটার সাথে হইতো তোমার জিবনের অনেক বড় অংশ  জড়িয়ে আছে। তখন ফাহিম বলে আমি জানিনা এই অনুভূতি সত্যি কিনা। কারণ আর একটা মেয়ের সাথে আমার দেখা হয়েছে যে অনেকটা আমার মতো যাকে আমার খুব পরিচত লাগছে। কিন্তু যখন আমি স্মৃতিতে খুজতে যাই তখন আমি তাকে পাই না। তখন ডক্টর বন্ধু বলে এই দুইটা মেয়ের মধ্যে একজন জিবনের বাস্তবতা আর একজন তোমার অবচেতন মনের কল্পনা। তুমি জিবনটাকে হেলুছিনেট এর সাথে মানিয়ে নিবে নাকি বাস্তবতার সাথে সেটা তুমি ঠিক কর। তবে তুমি এমন কিছু বেছে নাও যেটা তোমাকে সস্তি দিবে।তখন ফাহিম বলে ডক্টর জাহিদ আমি জিবনে এমন কিছু বেছে নিতে পারবোনা যেটা আমাকে পাগল করে দিবে।



এর পর জিসা রেস্তোরাঁয় ফিরে গিয়ে তার ডেলিভারি পোশাক গুলো পরিষ্কার করে রোদে শুকাতে দেয় আর ফাহিমের কথা ভাবে। ফাহিম জেসিকে ড্রেন থেকে টেনে তুলছে এসব মনে করে বলছে ফাহিম ছেলেটা অতটা খারাপ না। এর পর জেসির কাছে চলে এলো রেস্তোরাঁর মালিক মেয়েটি। এলিয়েন জেসির জন্য অনেক পোশাক কিনে এনেছে। এটা দেখে জেসি খুশিতে তাকে জড়িয়ে ধরতে গেলো তখন মালিক মেয়েটি তাকে আটকে দিল আর বল্ল তোমার আমাকে খুশি করতে হবেনা। তমি যদি ধন্যবাদ দিতে চাও তাহলে মিস্টার ফাহিমের অফিসে ঠিক মতো খাবার ডেলিভারি দিবে যাতে ফাহিম খুশি হয় আর আমাদের সিনসিয়ারিটি বুঝতে পারে। তখন জেসিকা বলে কোন বেপার না আমি ঠিক মতো ডেলিভারি দিব। এর পর মালিক এলিয়েন কে পোশাক গুলো পড়তে বলে চলে গেল। এর মধ্যে ফাহিম ফুয়াদের আর্ট গুলো দেখছে আর বলছে সুন্দর চিত্র এর আগে এগুলো দেখিনি। তখন ফাহিমের সহকারী বলতেছে জিয়া খান ছবি গুলো পাঠিয়েছে। তখন ফাহিম বলে জিয়া খান কি করতে চাচ্ছে উনার সাথে দেখা করতে হবে। তখন সহকারী বলে জিয়া খান মিটিং এ আছেন শেষ হলে আমি বলে দিব। এর পর জাহিদ সাহেব জিয়া খানকে জিগ্যেস করে আপনি কি ফুয়াদকে আগে থেকে চিনেন? জিয়া খান না করে দেয়। এরপর বলে তাহলে ফাহিমকে চিনেন?  তখন জিয়া খান বলেন আমি যদি চিনতাম তাহলে দেখা করার জন্য উনার গাড়ি ভাঙ্গতাম না।




এরপর ই জেসি খাবার নিয়ে পৌঁছে যাই ফাহিম এর অফিসে। ফাহিম মিটিং এ থাকে তখন জিসা অফিসে ঢুকেই ফাহিমকে বলে খাবার খেতে। ফাহিম বলে তার মিটিং চলে,  মিটিং চলা অবস্থায় জেসি বলে আপনি নাকি আমাকে পছন্দ করেন এটা শুনে মিটিং এর সবাই অবাক হয়ে যাই, রেগে ফাহিম ল্যাপ্টপ বদ্ধ করে দেয়। আর জেসিকে বলে চলে যেতে,জেসি কে আর দেখতে চাইনা ফাহিম, জেসিও বলে তাহলে ভালোই হয়। কিন্তু জেসি যাবার আগে ফাহিমকে সি ফুড খাইয়ে দেয় নিজের হাতে। তারপর সব নিয়ে চলে যাই। তখন ফাহিমের রুম এ জিয়া কান এসে দেখে যে ফাহিম এর অবস্থা খারাপ।এদিকে জেসি তার রেখে যাওয়া প্লেট নিতে এসে দেখে ফাহিম অসুস্থ এটা দেখি জেসি ফাহিমকে পিঠে নিয়ে হসপিটালে নিয়ে যেতে থাকে। পরে গাড়ি করে নিয়ে যেতে দেখে অনেক জেম। এরপর সে মটর বাইকে করে ফাহিমকে নিয়ে যাই আকাশে উড়িয়ে।




ফাহিম তখন বলেনএটা কি সত্যি? ফাহিমকে জেসি বলে না এটা তোমার হেলুসিনেশন। এরপর হসপিটালে পৌছানোর পর ফাহিমকে ভর্তি করিয়ে নেয়, আর জেসি বের হয়ে যেতে বলে। এদিকে ফাহিমের জ্ঞান ফিরে এলে জেসি বলে ডাকে তখনি চলে আসে জিয়া। জিয়া এসে বলে আমার কথা তোমার মনে পড়েছে? তুমি আমাকে নাম ধরে ডেকেছিলে তখন ফাহিম বলে সরি।  জিয়া হেসে বলে চাপ নিও না আমি এমনি তোমাকে দেখতে এসেছি। জিয়া চলে যাই তখন ডক্টর বন্ধু ফাহিমকে বলে কিরে নতুন গার্লফ্রেন্ড নাকি তখন ফাহিম বলে না ওর সাথে কাজের সম্পর্ক। অন্যদিকে ফাহিমের সৎ মা ওকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে। নিজের ভাই কে ফাহিমের অফিসে এমপ্লয় হিসেবে রেখেছে পরিচয় গোপন করে।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!